মৌলভীবাজার জেলার এলাকা ভিত্তিক লোড শেডিং এর সময়সূচি

লোড শেডিং এর সময়সুচি মৌলভীবাজারঃ আপনি কি মৌলভীবাজার শহরে বসবাস করেন? আপনি কি মৌলভীবাজার জেলার এলাকা ভিত্তিক লোড শেডিং এর সময় সুচি জানতে চান, তাহলে এই পোষ্ট আপনার জন্য। গত ১৯ জুলাই ২০২২ হতে সমগ্র বাংলাদেশে এলাকা ভিত্তিক লোড শেডিং চলছে। আপনি যদি মৌলভীবাজার জেলার এলাকা ভিত্তিক লোড শেডিং এর সময় সুচি জানতে চান তাহলে নিম্নে প্রদত্ত লিংক হতে আপনার সময়সুচি ডাউনলোড করে নিন।

কিভাবে মৌলভীবাজার জেলার এলাকা ভিত্তিক লোড শেডিং এর সময়সূচি জানবো?

আপনি যদি পল্লীবিদ্যুত, বিপিডিবি, ডেসকো, নেসকো, ওয়েস্টজোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউন অথবা ডিপিডিসি-এর গ্রাহক হয়ে থাকেন তাহলে আপনি তাদের ওয়েবসাইট হতে আপনার এলাকার লোড শেডিং এর সময়সুচি ডাউনলোড করে দেখে নিতে পারেন। গত ১৯ জুলাই ২০২২ হতে সমগ্র বাংলাদেশে এলাকা ভিত্তিক লোড শেডিং এর কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আপনার এলাকার লোড শেডিং এর সময়সুচি জানতে নিম্নের ধাপগুলো ফলো করুনঃ

ধাপ-০১

আপনি যদি পল্লীবিদ্যুত, বিপিডিবি, ডেসকো, নেসকো,  ডিপিডিসি অথবা ওয়েস্টজোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিঃ-এর গ্রাহক হয়ে থাকেন তাহলে আপনি তাদের ওয়েবসাইট হতে আপনার এলাকার লোড শেডিং এর সময়সুচি ডাউনলোড করে দেখে নিতে পারেন

পল্লীবিদ্যুত গ্রাহক এখানে ক্লিক করুন

বিপিডিবি গ্রাহক এখানে ক্লিক করুন

ডিপিডিসি গ্রাহক এখানে ক্লিক করুন

ডেসকো গ্রাহক এখানে ক্লিক করুন

নেসকো গ্রাহক এখানে ক্লিক করুন

ওয়েস্টজোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানীর গ্রাহক এখানে ক্লিক করুন

 

ধাপ-০২

আপনি যখন উল্লেখিত লিংকগুলোতে ক্লিক করবেন তখন এটি আপনাকে আপনার কাঙ্ক্ষিত ওয়েবসাইট এ নিয়ে যাবে, উপরোক্ত ওয়েবসাইটগুলোতে আপনি এলাকা ভিত্তিক লোড শেডিং এর সময়সুচি খোজ করুন।

ধাপ-০৩

ওয়েবসাইট-এ আপনি যখন কোন এলাকা ভিত্তিক লোড শেডিং এর সময়সুচির তালিকার লিংক দেখবেন সেখানে ক্লিক করুন

ধাপ-০৪

এলাকা ভিত্তিক লোড শেডিং এর সময়সুচির তালিকার লিংক এ ক্লিক করে আপনি আপনার নির্দিষ্ট এলাকা যেমন মৌলভীবাজার জেলার এলাকা ভিত্তিক লোড শেডিং এর সময়সুচির তালিকা দেখে নিতে পারেন।

ধাপ-০৫

এইখানে আপনি আপনার মোবাইল কিংবা ল্যাপটপে লোড শেডিং এর সময়সুচি ডাউনলোড করে রেখে দিতে পারেন এবং আপনার পরিচিতদের কাছে তা শেয়ার করতে পারেন।

মৌলভীবাজার জেলার এলাকা ভিত্তিক লোড শেডিং এর সময়সুচি

আমরা সকলেই অবহিত আছি যে, রাশিয়া-ইউক্রেইন যুদ্ধের প্রভাবে প্রায় সকল দেশেই বিভিন্ন জিনিসপত্রের দাম উল্লেখযোগ্যহারে বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে ইউক্রেন হতে গম রপ্তানি না হবার কারনে খাবারের দাম অনেকগুন বেড়েছে। পরিশোধিত ও অপরিশোধিত তেল রপ্তানী না হবার কারণে জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে। ইতোমধ্যে বাংলাদেশে সয়াবিন তেলের দাম ২০০ টাকাও প্রতি লিটার হয়েছিলো, যদিও এখন কিছুটা কমেছে।

আমরা সকলেই জানি জ্বালানি তেলের কারনে আমাদের সকল ধরনের নিত্যপন্যের দাম প্রতিনিয়ত বাড়ছে। বাংলাদেশে শতভাগ বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যে বিগত কয়েক বছর বর্তমান সরকার নানান কর্মসূচি হাতে নিয়েছেন। বিদ্যুৎ উৎপাদনের অন্যতম জ্বালানি হিসেবে বাংলাদেশে ডিজেল ব্যবহার করে থাকে। ইতোমধ্যে ডিজেলের দাম অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে। বাংলাদেশ সরকার সব সময়ই জ্বালানি তেল ও বিদ্যুৎ উৎপাদনে অনেক ভর্তূকি দিয়ে থাকে। এর মাঝে জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে যাওয়াতে সরকার তাই কোন ঝুঁকি নিতে চাইছে না।

বিগত ১৮ জুলাই ২০২২ তারিখে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানি উপদেষ্টা, জনাব তৌফিক-এ-ইলাহির নেতৃত্বে একটি উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়, এতে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী সহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন। উক্ত বৈঠকে কয়েকটি সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়েছে যার কিছু পয়েন্ট তুলে ধরা হলোঃ

  • মার্চ ২০২২ পর্যন্ত বাংলাদেশে মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা হলো ২৫,৫১৪ মেগাওয়াট
  • বর্তমানে দেশে প্রতিদিন গড়ে ১২-১৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুতের চাহিদা রয়েছে
  • কিন্তু এই পরিস্থিতিতে সর্বোচ্চ ১২ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব
  • এই ক্ষেত্রে গড়ে প্রতিদিন প্রায় ২০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুতের ঘাটতি সৃষ্টি হবে
  • এখন থেকে ডিজেল চালিত সকল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন বন্ধ থাকবে, জ্বালানি তেলের দাম না কমানো পর্যন্ত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষন করা হবে
  • দেশের প্রতিটি জেলা-উপজেলায় ১ ঘন্টা করে লোড শেডিং এর শিডিউল/সময়সূচি নির্ধারণ করে দেয়া হবে
  • প্রতিদিন ১ঘণ্টা করে লোডশেডিং করার পর পরিস্থিতির উন্নয়ন না হলে পরবর্তি সপ্তাহ থেকে তা ২ঘণ্টা করে কার্যকর করা হবে
  • প্রতিটি মসজিদে নামাযের সময় ছাড়া কোনভাবেই এসি চালানো যাবে না। অন্যান্য উপসনালয়েও একই পদ্ধতি মেনে চলতে হবে
  • সরকারি-বেসরকারী অফিস এর সময় প্রয়োজনে শিথিল করতে হবে, এছাড়াও বাড়ী হতে কার্যক্রম চালানো যায় কিনা তা ভেবে দেখতে হবে
  • মার্কেট ও দোকান-পাট রাত ৮ টার পর চালু রাখা যাবে না। কেউ নিয়ম না মানলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে
  • এখন থেকে প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬ টা হতে রাত ১২ টার মধ্যে এই এলাকা ভিত্তিক লোড শেডিং এর সময়সূচি মেনে চলতে হবে

যদিও এই পরিস্থিতিতে অনেকেরই নানান সমস্যার সৃষ্টি হবে, তবে এই পরিস্থিতিকে সামাল দেয়ার মন-মানসিকতা তৈরি করতে হবে। এমতাবস্থায় আগে থেকেই যদি সবাই তার এলাকায় লোড শেডিং এর সময়সূচি জানতে পারেন তাহলে তিনি আগে থেকে বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহন করতে পারবেন।

আপনি যদি মৌলভীবাজার জেলার বাসিন্দা হয়ে থাকেন অথবা মৌলভীবাজার জেলার বিভিন্ন উপজেলায় আপনি থাকেন তাহলে এই তথ্যগুলো আপনি মেনে চলবেন, উপরোক্ত লিংক সমুহে ক্লিক করে আপনি আপনার এলাকা যেমন, মৌলভীবাজার সদর, কমলগঞ্জ, কুলুয়ারা, রাজনগর, শ্রীমঙ্গল, বড়লেখা, জুরি এলাকার বাসিন্দা হয়ে থাকেন তাহলে আপনি আপনার এলাকার লোড শেডিং এর সময়সূচি দেখে নিন।

সুনামগঞ্জ জেলার এলাকা ভিত্তিক লোড শেডিং এর সময়সূচি জানতে ভিজিট করুন

আপনি চাইলে চট্টগ্রাম জেলার এলাকা ভিত্তিক লোড শেডিং এর সময়সূচি দেখে নিতে পারেন

Leave a Comment